ছোটো গল্প
ঋণ সফিকুজ্জামান আকাশ নিবিষ্ট মনে ছবি আঁকছিলো- দু’টি পাখি উড়ে যাচ্ছে স্বপ্নের সন্ধানে,সুন্দর নীল আকাশে কোথাও একখণ্ড কালে মেঘের রেখা নেই, নেই ঝড়ের কোনো পূর্বাভাস।এমন সময় তার মোবাইল সেট বেজে উঠলো,স্ক্রিনে দেখা গেলো তনুজার নাম।রিসিভ করতেই তনুজা বললো, "সারাদিনে কী করো,৪-৫ টা মিস কল আছে দেখো।একটু রিসিভ করার সময়টাও আজকাল পাওনা? আকাশ," না,তুমি যা ভাবছো তা নয়;মোবাইল সাইলেন্স মুডে রেখে পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকি,তাই হয়তো বুঝতে পারিনি। " তনুজা,"ছবি আঁকা, কবিতা লেখার সময় তো খুব পাও।"আকাশ দার্জিলিং শহরের কনভেন্ট স্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিকে ভালো রেজাল্ট করে ব্যাঙ্গালোরে বিজনেস ম্যানেজমেন্ট পড়ছে।তার গ্রামের বাড়ি বিক্রমপুরে ফিরে আসার সময় মৌলানা আজাদ কলেজের ২য় বর্ষের ইংরেজি অনার্সের ছাত্রী তনুজা তাকে রিসিভ করতে যেতো নেতাজী সুভাসচন্দ্র বিমান বন্দরে।তারপর দু'জনে প্রাইভেট গাড়িতে বাড়ি ফিরতো।আকাশ যে ক'দিন বাড়িতে থাকতো,তনুজা এসে তার সবকিছুতেই খেয়াল রাখতো।আকাশ বা তনুজার বাবা-মায়ের এই মেলামেশাতে কোনো আপত্তি ছিলো না।আকাশ ধীরে ধীরে তনুজার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়লো।মাঝে মাঝে তার মনে হতো...